Doinik Bangla Khobor

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে ঢাকা কদমতলীর আঃলীগ নেতার ফেস্টুন ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ

মোঃ খাইরুজ্জামান সজিব :
আসছে আগামী -২৬ শে অক্টোবর
ঢাকা দক্ষিন সিটি করর্পোরেশনের
কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের
ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্টিত হবে
এ সম্মেলন কে কেন্দ্র করে রাজনীতির প্রতিহিংসার জের ধরে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের
১ম যুগ্ম- সাধারন সম্পাদকও ৫৯ নং ওয়ার্ড থেকে বার,বার নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর শ্রী আকাশ কুমার ভৌমিকের রাতের আঁধারে পোস্তগোলা ফ্লাই ওভার থেকে শুরু করে ধােলাইপাড় ফ্লাই ওভার পর্যন্ত ব্যানার ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

আকাশ কুমার ভৌমিক তার বক্তব্যে গণ-মাধ্যমকে জানান,ঐ খানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা তো আছেই
এই দীর্ঘ পাঁচ বছরে কদমতলী থানা আঃলীগের কােনো বর্ধিত সভা হয়নি, থানা আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম নেই সেখানে একটা স্বার্থনেষী মহল এই কদমতলী থানা আঃ লীগ কে তাঁরা তাদের মতো গড় নিজের সম্প্রতি ভেবে
এই সংগঠনটায় কাউকে কােনো প্রাধান্য না দিয়া থানা আঃ লীগে যারা অন্যান্য বডিতে তাদের কেও কোনাে প্রাধান্য না দিয়া একক ভাবে নিজেই সাধারন সম্পাদক সর্বভাবেই এই কমিটিটাকে নিজেদের আয়ত্বে ব্যবহার করছে। কিছু সালাহউদ্দিনের ক্যাডার যারা এখন বর্তমানে বাবলার সাথে ক্যাডার হিসেবে কাজ করছে ইতি মধ্যে গত তিনদিন আগে সেখানে কিছু বাগবিনদরা সাংগঠনিক কথা বার্তা তুলাকালে কদমতলী থানায় একাধিক মামলার দলীয় নেতা কর্মীর উপর বিভিন্ন হামলা,জখম,এবং ছিনতাই মামলা থেকে শুরু করে বেশ কিছু অভিযোগ যার নামে আছে সে হলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মারুফ হোসেন মামুন। এবং সালাহউদ্দিনের ক্যাডার যারা তাঁদের নাম একজন হলো মুরগী রুবেল, আর একজন হলো ছোট হানিফ,অস্ত্র মামলা থেকে শুরু করে বেশ কিছু মামলা তাঁদের নামে কদমতলী থানায় আছে এখন তারা সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার ভাঙ্গনের ক্যাডার হিসেবে কাজ করে
তারা সেদিন রাম দাউ,চাপাতি,টাপাতি নিয়া আঃলীগের মিটিং চলাকালীন সময় সেখানে আইসা কিছু যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত, এ মারুফ সহ- সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রুমু যার বাবা জামাত করে তার পরিবারের সকল সদস্য জামাত করে এখন সে গা বাঁচানোর জন্য ছাত্রলীগের রাজনীতি করে । তার পরিবারে শুধু সে একমাত্র ব্যক্তি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। কিন্তু তার কর্মকান্ড সব সময় আওয়ামী বিরোধী এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সেদিন সেও ছিলো তাঁদের সাঙ্গ পাঙ্গরাই এখানে পোষ্টার ছেঁড়া থেকে শুরু করে যত রকমের আকাম,কুকাম আছে তাঁদের দ্বারাই সংগঠিত হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার ইতি মধ্যে আপনারা দেখেছেন যে লালবাগ,চকবাজারে যে অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেছে দলের একটা অংশ সব সময় দলটাকে নিজের সম্প্রতি ভাইবা রাজনীতি করতে বেপরোয়া সর্বদা তারা অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে, কিছু অসৎ লোকের ছত্র ছায়ায়। কিন্তুু তারা এইটা বোঝেনা যে জননেত্রী শেখ হাসিনার এখন সে আঃ লীগ আর নাই। যে কােনো ভাবেই কোনো অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে জননেত্রী শেখ হাসিনা সেটা কঠোর হস্তে দমন করে। বিশ্ব দরবারে আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বনেত্রী হিসেবে দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ববাসীর কাছে আমরা গর্ববোধ করছি। আমরা আগামীতে আশা করবো যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেনো সারা বিশ্বে প্রথম নেতৃত্বের অধিকারী হন। এই জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে ঢেলে সাজানোর নিরলস প্রচেষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তার সেগুলো যেনো ধারাবাহিক ভাবে অব্যাহত থাকে। খারাপ লোকের আগমন যেনো এই কমিটি থেকে দূরে থাকে। আপনাদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় যে রাজনীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরবেন আমরা আশাকরি যে প্রতিটা কর্মকান্ডের মধ্যেই যেনো স্বচ্ছ রাজনীতির একটা ধারাবাহিকতা এই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ তথা- বাংলাদেশের সব জায়গায় যেনো আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির পারশপারিকতার যেনো বৃদ্ধি পায়। এই আশা ব্যাক্ত করে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি আমাদের এই সম্মেলন যেনো সফল হয় । সেই হিসেবে আমরা যারা এখানে এই রাজনীতিটা করতে চাই যারাই রাজনীতির সঠিক ধারাবাহিকতার প্রকাশ পাক এইটা আমাদের চাওয়া আসলে আমাদের কোনো ব্যাক্তিগত চাওয়া নেই জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দলকে সাজায় দিবে সেই ভাবেই আমরা মেনে নিবো বলে তিনি জানান।